
‘বিএনপি নির্বাচনে যেতে ভয় পায়। তার কারণ হল, এতিমের অর্থ আত্মসাৎ করে সাজাপ্রাপ্ত আসামী খালেদা জিয়া, ১০ ট্রাক অস্ত্র পাচার, একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলায় আইভি রহমানসহ আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের হত্যা করা, দুর্নীতির দায়ে সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি তারেক জিয়া, অগ্নিসন্ত্রাস করে জীবন্ত মানুষ পুড়িয়ে মারার দল বিএনপি। তারেক জিয়া ও খালেদার নির্দেশে সেই অগ্নিদগ্ধ মানুষ এবং আপনজন হারা স্বজনদের ব্যাথা মানুষ ভুলতে পারে নি। এই অপরাধী বিএনপিকে জনগণ ভোট দেবে না। জনগণের হাজার হাজার কোটি টাকা মানি লন্ডারিং করে বিদেশে পাচার করেছে। সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদ ও দুর্নীতি এটাই হল বিএনপি পরিচয়। তাদেরকে কেন ভোট দেবে? আগামীতে তাদের প্রধানমন্ত্রী কে হবে? সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা তো নির্বাচন করতেই পারবে না, তাহলে কাকে সামনে নিয়ে নির্বাচন করবে? বিএনপি তা জানে, তাই নানা অজুহাতে নির্বাচন করতে চায় না। জনগণকে ভয় পায়।’
বিএনপি চায় অবৈধপথে ক্ষমতায় যেতে যে মিশনের অংশ হিসাবে তারা প্রতিনিয়ত দেশ বিদেশে ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে, তবে আওয়ামী লীগের সভানেত্রী শেখ হাসিনার ক্যারিশম্যাঠিক নেতৃত্ব আর নেতৃবৃন্দদের সক্রিয়তার কারণে বিএনপির সে ষড়যন্ত্র মিশে যাছে মাটির সাথে।
বিএনপির সামনে এটি বড় সুযোগ তারা যদি এবারেও নির্বাচনে অংশ না নে তাহলে বাংলাদেশে বিএনপি নামক দলের নিশানা মুঁছে যাবে নিমিশে। তাই দলকে ঠিকিয়ে রাখতে হলেও তাদের এই নির্বাচনে অংশ নেওয়া উচিৎ বলে মনে করেন দেশের রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।